বিএনপির গুজব সেলের নতুন চক্রান্তকারী শাখাওয়াত টিটু

0
272

সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির রাজনৈতিক আন্দোলন নয় বরং সরকারের বিরুদ্ধে নানারকম মিথ্যা, অপপ্রচারই তাদের প্রধান কৌশল। দেশে-বিদেশে বিএনপি এরকম ১ হাজার ব্যক্তিকে নিযুক্ত করেছে। তাদের একমাত্র কাজ হলো সরকারের বিরুদ্ধে নানারকম মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করা।

এই সমস্ত তথ্য গুলোকে আবার  নেতারা তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইউটিউবে প্রচার করছে। অর্থাৎ সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন নয় বরং ডিজিটাল জগতে সাইবার ওয়ারের মধ্যে আছে বিএনপি। আর তার সঙ্গে যোগ দিয়েছে জামায়াতে ইসলাম।

লন্ডন এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে কতিপয় বিকারগ্রস্ত মানসিকতার লোকজন দিয়ে এসব কাজ করিয়ে যাচ্ছে পলাতক নেতা তারেক রহমান। এ দলে কয়েকজন সামরিক বাহিনীর বরখাস্ত কর্মকর্তা থেকে শুরু করে দেশে নারী কেলেংকারির দায়ে চাকরি হারানো কতিপয় সাংবাদিক নামধারীরাও রয়েছে। এ দলের নতুন সক্রিয় সদস্য হিসাবে কাজ করছেন এ্যাড. শাখাওয়াত হোসেন টিটু।

কনক সারোয়ার, ইলিয়াস হোসেনের মতো সরাসরি

বিএনপির প্রোপাগান্ডা সেলের সক্রিয় নতুন সদস্য শাখাওয়াত টিটু!জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন না করে এই টিটু যুক্তরাজ্যে অবস্থান করে আওয়ামী লীগের সক্রিয় লোক হিসাবে সরকার ও দলের বিরুদ্ধে প্রপোগান্ডা ছাড়াচ্ছে। এক্ষেত্রে ‘কচুয়ার ডাক’ নামের একটি অনলাইন প্লাটফর্মকে বেছে নিয়েছে টিটু।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের চরিত্রহননের পাশাপাশি হেফাজতের পক্ষেও সরাসরি অবস্থান নিয়েছিলেন এই শাখাওয়াত হোসেন টিটু।

বিভিন্ন সূত্র বলছে যে, প্রতি মাসে অন্তত ১০ থেকে ২০ কোটি টাকা  শুধু অপপ্রচারের জন্য খরচ করছে। এই মুহূর্তে বিএনপির টাকায় দেশে-বিদেশে ৫৬টি ইউটিউব চ্যানেল চলছে, ৭২টি ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে বিভিন্ন রকম বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

[ বিএনপির গুজব সেলের নতুন চক্রান্তকারী শাখাওয়াত টিটু ]

ডেভিড বার্গম্যান বিভিন্ন ইস্যুগুলো আনছেন এবং সেই ইস্যুগুলো কিভাবে কোন ইউটিউব চ্যানেলে বা আইপিটিভিতে কি প্রচার হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা দিচ্ছেন। এই নির্দেশনা অনুযায়ী পয়সায় গড়ে ওঠা সাইবার ক্রিমিনালরা অপপ্রচারের কাজ করছে। আগে মোটা দাগে চার-পাঁচজন পরিচিত ব্যক্তি ছিলো যারা এই সমস্ত অপপ্রচারের সঙ্গে যুক্ত থাকতেন কিন্তু এখন এই সংখ্যা বেড়ে গেছে।

মজার ব্যাপার হলো যে, এই মিথ্যাচার গুলো যখন ঐ সমস্ত টকশোতে বা ফেসবুকে দেয়া হচ্ছে তার পরপরই বিএনপির অফিশিয়াল ফেসবুকে এই সমস্ত অসত্য তথ্যগুলোকে আবার পুনঃপ্রকাশিত করা হচ্ছে। কিন্তু সরকার এখন পর্যন্ত এগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

নিজে আইনজীবী হওয়ার কারণে ডেভিড বার্গম্যানের পরামর্শ নিয়ে এ্যাড. শাখাওয়াত হোসেন টিটু আওয়ামী লীগ এবং বিশেষ করে সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরের নাম ভাঙিয়ে সরকার এবং দলের নেতাদের বিরুদ্ধে প্রপোগান্ডা ছড়াচ্ছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি শাখাওয়াত হোসেন টিটুর নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। এমনকি হোয়াটসআ্যাপে ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

কার্টেসি- ভোরের পাতা