বাজার

কিছুদিন পরপর অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে দেশের বাজার। নিত্যপণ্যের চড়া দামে মানুষের নাভিশ্বাস উঠে যায়। খুব সাধারণ পণ্যের দামও উঠে যায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে। আর এসবকিছুর মূল্য দিতে হয় সাধারণ মানুষকে। বাধ্য হয়েই আকাশছোঁয়া দামে কিনতে হয় সাধারণ নিত্যপণ্য। কিছুদিন পরপরই বিভিন্ন পণ্যের আকাশচুম্বী দাম সবাইকেই অবাক করে। কিন্তু কারোই যেন কিছু করার নেই। কারণ একটি নির্দিষ্ট চক্র দেশজুড়ে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে বিভিন্ন পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায় পণ্যের দাম।

আরও পড়ুন : দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির নেপথ্যে রাজনৈতিক কালো হাতের ইশারা

জামায়াত-বিএনপিজানা গেছে, সারা দেশে অস্থিরতা তৈরি করতে বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী বাজার সিন্ডিকেট কাজ করে। যারা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী বাজরে পণ্যের সরবরাহ বা সংকটকে নিয়ন্ত্রণ করে। এরাই কিছুদিন পরপর বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ানোর পেছনে কাজ করে। যাতে সাধারণ মানুষ কষ্ট পায় এবং সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপে ওঠে। এক কথায় দেশে চলমান শান্তি ও সমৃদ্ধিকে ধ্বংস করতেই তাদের এই সকল অপচেষ্টা।

আরও পড়ুন : বিএনপি আমলে নিজেদের জীবন বাঁচানোর জন্য রাজপথে নেমেছে সাধারণ মানুষ

কিন্তু দেশের মানুষের এমন লাগাতার দুর্ভোগ আর অস্থিরতা বন্ধ করতে এবার আরো কঠোর হচ্ছে সরকার। বাজারে যারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে তাদেরকে লাগাম টানতে এরই মধ্যে সতর্ক করা হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুরোকে। সরকারী নির্দেশ মোতাবেক এরই মধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে বেশ কিছু অপরাধীকে।

[বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার!]

prdctজানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং এর সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর সমূহ বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে এরই মধ্যে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে। সেই সাথে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাজারগুলোতে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে। যা বাজারে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখছে। সেই সাথে সংকট সৃষ্টিকারীদের আনা হচ্ছে আইনের আওতায়। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের এমন কার্যকরী পদক্ষেপ খুব শীঘ্রই বাজারের অস্থিরতা কমাতে পারবে বলে আশা করছেন দেশের অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন :